নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার | প্রকাশিত: ৪ এপ্রিল, ২০২৬
ঢাকার সাভারের বক্তারপুর এলাকা থেকে বিএনপি নেতা মো. জুয়েল তালুকদারকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন জুয়েল তালুকদার। সম্প্রতি আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে সাভার মডেল থানা পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে। শনিবার (৪ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বক্তারপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
এদিকে, এই গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি কুচক্রী মহল বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে এলাকার সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কাউকে আটক করা হলে তা নিয়ে অপপ্রচার চালানো অনুচিত। একটি আইনি বিষয়কে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা না করে সত্য তথ্য যাচাই করা এখন সময়ের দাবি।”
সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আরমান আলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে থানা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে, পূর্বের মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার | প্রকাশিত: ৪ এপ্রিল, ২০২৬
ঢাকার সাভারের বক্তারপুর এলাকা থেকে বিএনপি নেতা মো. জুয়েল তালুকদারকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন জুয়েল তালুকদার। সম্প্রতি আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে সাভার মডেল থানা পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে। শনিবার (৪ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বক্তারপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
এদিকে, এই গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি কুচক্রী মহল বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে এলাকার সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কাউকে আটক করা হলে তা নিয়ে অপপ্রচার চালানো অনুচিত। একটি আইনি বিষয়কে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা না করে সত্য তথ্য যাচাই করা এখন সময়ের দাবি।”
সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আরমান আলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে থানা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে, পূর্বের মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন