নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার |
সাভারের ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক টাউন আবাসিক গৃহ নির্মাণ সমবায় সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মকাণ্ডকে ‘স্বৈরাচারী’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সম্পাদক পদপ্রার্থীসহ তিন প্রার্থী।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ হাসান আলী, সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মনিরুল আলম (রাজু) এবং সদস্য পদপ্রার্থী বেগম আজমাইন গত ১৫ এপ্রিল প্রকাশিত সমিতির প্রেস রিলিজকে ‘মিথ্যা’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেন।
বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে ভোটার তালিকায় নজিরবিহীন কারচুপি করা হয়েছে। প্রার্থীরা বলেন,
“সমিতির নিয়মানুযায়ী প্রথমে ১৫৮ জনের একটি খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হলেও তা গোপন রাখা হয়। পরবর্তীতে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে কোনো প্রকার নিয়মনীতি না মেনে হঠাৎ ৩৮৮ জনের একটি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক ‘ভৌতিক ভোটার’ অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আমরা সমিতির কাছে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি করছি।”
বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তারা। তাদের দাবি, সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ উপেক্ষা করে সমিতির জমি বিক্রির প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আবাসিক এলাকার শিশুদের একমাত্র খেলার মাঠ নিয়েও বিভিন্ন সময়ে হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান কমিটির নেতারা পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করছেন।
অন্যদিকে, তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ওঠা জমি দখল ও অর্থ তছরুপের অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেন প্রার্থীরা। এ বিষয়ে মোঃ হাসান আলী বলেন,
“আমাদের ক্লিন ইমেজ নষ্ট করতে এবং সদস্যদের চোখে খাটো করতেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মূলত নিজেদের দুর্নীতি ধামাচাপা দিতেই তারা আমাদের ওপর দায় চাপাচ্ছে।”
প্রার্থীরা প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে সাধারণ সদস্যদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সমবায় অধিদপ্তরের প্রতি একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোটার তালিকার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিল বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বিরোধী প্যানেলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আনে। এরই প্রেক্ষিতে এই পাল্টা প্রতিবাদের সূত্রপাত হয়েছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার |
সাভারের ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক টাউন আবাসিক গৃহ নির্মাণ সমবায় সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মকাণ্ডকে ‘স্বৈরাচারী’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সম্পাদক পদপ্রার্থীসহ তিন প্রার্থী।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ হাসান আলী, সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মনিরুল আলম (রাজু) এবং সদস্য পদপ্রার্থী বেগম আজমাইন গত ১৫ এপ্রিল প্রকাশিত সমিতির প্রেস রিলিজকে ‘মিথ্যা’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেন।
বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে ভোটার তালিকায় নজিরবিহীন কারচুপি করা হয়েছে। প্রার্থীরা বলেন,
“সমিতির নিয়মানুযায়ী প্রথমে ১৫৮ জনের একটি খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হলেও তা গোপন রাখা হয়। পরবর্তীতে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে কোনো প্রকার নিয়মনীতি না মেনে হঠাৎ ৩৮৮ জনের একটি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক ‘ভৌতিক ভোটার’ অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আমরা সমিতির কাছে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি করছি।”
বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তারা। তাদের দাবি, সাধারণ সদস্যদের স্বার্থ উপেক্ষা করে সমিতির জমি বিক্রির প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আবাসিক এলাকার শিশুদের একমাত্র খেলার মাঠ নিয়েও বিভিন্ন সময়ে হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তারা আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান কমিটির নেতারা পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করছেন।
অন্যদিকে, তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ওঠা জমি দখল ও অর্থ তছরুপের অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেন প্রার্থীরা। এ বিষয়ে মোঃ হাসান আলী বলেন,
“আমাদের ক্লিন ইমেজ নষ্ট করতে এবং সদস্যদের চোখে খাটো করতেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মূলত নিজেদের দুর্নীতি ধামাচাপা দিতেই তারা আমাদের ওপর দায় চাপাচ্ছে।”
প্রার্থীরা প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে সাধারণ সদস্যদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সমবায় অধিদপ্তরের প্রতি একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোটার তালিকার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিল বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বিরোধী প্যানেলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আনে। এরই প্রেক্ষিতে এই পাল্টা প্রতিবাদের সূত্রপাত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন