সাভার, ঢাকা | প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড সাফল্যের পাশাপাশি সেবার মানেও এসেছে দৃশ্যমান ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন। নিবন্ধন কার্যক্রমে গতিশীলতা, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপের ফলে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দলিল নিবন্ধনের সংখ্যা আগের তুলনায় কিছুটা কম হলেও সরকারের কোষাগারে জমা হওয়া রাজস্ব উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা এবং শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার কারণেই এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
বর্তমান প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে অফিস প্রাঙ্গণ অনেকটাই দালালমুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের ফলে সাধারণ মানুষ এখন হয়রানিমুক্ত পরিবেশে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন। বিশেষ করে ই-রেজিস্ট্রেশন ও অনলাইনে তথ্য যাচাইয়ের সুবিধা সেবাকে আরও সহজ ও কার্যকর করেছে।
সেবা নিতে আসা একাধিক সেবাগ্রহীতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে যেখানে একটি দলিল সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ ছিল, এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। একজন সেবাগ্রহীতা বলেন,
“এখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা যাচ্ছে এবং কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হচ্ছে না। এতে সময় ও খরচ—দুটোই বেঁচে যাচ্ছে।”
এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন বলেন,
“স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চেষ্টা করছি সেবাকে আরও জনবান্ধব ও আধুনিক করতে।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,
“এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে রাজস্ব আদায়ে আরও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হবে এবং সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিস সেবার ক্ষেত্রে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।”

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সাভার, ঢাকা | প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড সাফল্যের পাশাপাশি সেবার মানেও এসেছে দৃশ্যমান ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন। নিবন্ধন কার্যক্রমে গতিশীলতা, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপের ফলে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দলিল নিবন্ধনের সংখ্যা আগের তুলনায় কিছুটা কম হলেও সরকারের কোষাগারে জমা হওয়া রাজস্ব উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা এবং শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার কারণেই এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
বর্তমান প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে অফিস প্রাঙ্গণ অনেকটাই দালালমুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের ফলে সাধারণ মানুষ এখন হয়রানিমুক্ত পরিবেশে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন। বিশেষ করে ই-রেজিস্ট্রেশন ও অনলাইনে তথ্য যাচাইয়ের সুবিধা সেবাকে আরও সহজ ও কার্যকর করেছে।
সেবা নিতে আসা একাধিক সেবাগ্রহীতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে যেখানে একটি দলিল সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ ছিল, এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। একজন সেবাগ্রহীতা বলেন,
“এখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা যাচ্ছে এবং কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হচ্ছে না। এতে সময় ও খরচ—দুটোই বেঁচে যাচ্ছে।”
এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন বলেন,
“স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চেষ্টা করছি সেবাকে আরও জনবান্ধব ও আধুনিক করতে।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন,
“এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে রাজস্ব আদায়ে আরও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হবে এবং সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিস সেবার ক্ষেত্রে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।”

আপনার মতামত লিখুন