২৬ নভেম্বর ২০২৫, ঢাকা
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের প্রশ্নে অবশেষে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করল ভারত। গত বছরের গণ-অভ্যুত্থানের পর আগস্টে দেশ ত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ঢাকা থেকে পাঠানো অনুরোধপত্র পাওয়ার কথা বুধবার স্বীকার করে দিল নয়াদিল্লি।
এটি দিল্লির পক্ষ থেকে প্রথম প্রকাশ্য নিশ্চয়তা—যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন এক উত্তেজনার দিকে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন,
“সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নতুন একটি অনুরোধ এসেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পরই অনুরোধটি পাঠানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি আমাদের বিচারিক এবং অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পর্যালোচনা করছি।”
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুদিন ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে নীরব থাকা দিল্লির এই স্বীকৃতি শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ অবস্থানকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
জয়সওয়াল তার বক্তব্যে বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই লাইনটি দেখায়—ভারত এ মুহূর্তে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক আশ্রয় নয়; বরং বাংলাদেশের সার্বিক স্থিতিশীলতাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি বলেন,
“আমরা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যোগাযোগ চালিয়ে যাব।”
গত বছরের জুলাইয়ে ছাত্র–জনতার আন্দোলনে সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা গোপনে ভারত যান এবং তারপর থেকে অজ্ঞাতস্থানে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের নতুন সরকার তাঁকে ফেরত পাঠাতে ইতোমধ্যে দুই দফা চিঠি পাঠিয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় এবং ঢাকা থেকে বাড়তি চাপ—দুবাহুর চাপের মুখে দিল্লির এই মন্তব্যকে অনেকেই শেখ হাসিনার জন্য “সময় ফুরিয়ে আসছে”—এমন সংকেত হিসেবে দেখছেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং আন্তর্জাতিক আদালতের রায়—দুই মিলে ভারতের সামনে ঝুঁকি ও কূটনৈতিক ভারসাম্যের হিসাব বদলে দিচ্ছে।
এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও দিল্লির এই স্বীকৃতি পুরো প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫
২৬ নভেম্বর ২০২৫, ঢাকা
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের প্রশ্নে অবশেষে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করল ভারত। গত বছরের গণ-অভ্যুত্থানের পর আগস্টে দেশ ত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ঢাকা থেকে পাঠানো অনুরোধপত্র পাওয়ার কথা বুধবার স্বীকার করে দিল নয়াদিল্লি।
এটি দিল্লির পক্ষ থেকে প্রথম প্রকাশ্য নিশ্চয়তা—যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন এক উত্তেজনার দিকে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন,
“সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নতুন একটি অনুরোধ এসেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পরই অনুরোধটি পাঠানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি আমাদের বিচারিক এবং অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পর্যালোচনা করছি।”
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুদিন ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে নীরব থাকা দিল্লির এই স্বীকৃতি শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ অবস্থানকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
জয়সওয়াল তার বক্তব্যে বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই লাইনটি দেখায়—ভারত এ মুহূর্তে শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক আশ্রয় নয়; বরং বাংলাদেশের সার্বিক স্থিতিশীলতাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি বলেন,
“আমরা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ বিষয়ে সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যোগাযোগ চালিয়ে যাব।”
গত বছরের জুলাইয়ে ছাত্র–জনতার আন্দোলনে সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা গোপনে ভারত যান এবং তারপর থেকে অজ্ঞাতস্থানে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের নতুন সরকার তাঁকে ফেরত পাঠাতে ইতোমধ্যে দুই দফা চিঠি পাঠিয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় এবং ঢাকা থেকে বাড়তি চাপ—দুবাহুর চাপের মুখে দিল্লির এই মন্তব্যকে অনেকেই শেখ হাসিনার জন্য “সময় ফুরিয়ে আসছে”—এমন সংকেত হিসেবে দেখছেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং আন্তর্জাতিক আদালতের রায়—দুই মিলে ভারতের সামনে ঝুঁকি ও কূটনৈতিক ভারসাম্যের হিসাব বদলে দিচ্ছে।
এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও দিল্লির এই স্বীকৃতি পুরো প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন