নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১১ মার্চ, ২০২৬: ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২.৭৬ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতি হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। এসব তথ্য বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশিত আনুমানিক হিসাবের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাডার ব্যবস্থা, ড্রোন ও যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।প্রাপ্ত তথ্যে বলা হয়েছে, কাতারের Al Udeid Air Base ঘাঁটিতে স্থাপিত একটি AN/FPS-132 early-warning radar ধ্বংস হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার।এছাড়া কুয়েতে তিনটি F-15E Strike Eagle যুদ্ধবিমান হারানোর দাবি করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৮২ মিলিয়ন ডলার।বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অবস্থিত United States Fifth Fleet সদর দপ্তরে দুটি AN/GSC-52B satellite communications terminal ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।অন্যদিকে কুয়েতের Camp Arifjan ঘাঁটিতে তিনটি রাডার ডোম ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার।সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-রুয়াইস এলাকায় একটি AN/TPY-2 radar ধ্বংস হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এর সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার।এছাড়া জর্ডানের Muwaffaq Salti Air Base ঘাঁটিতে আরেকটি AN/TPY-2 radar ও সংশ্লিষ্ট সহায়ক সরঞ্জাম ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য ক্ষতি ৩০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।অন্যদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ১১টি MQ-9 Reaper ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার সম্ভাব্য মূল্য ৩৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি।সব মিলিয়ে এসব সামরিক সরঞ্জামের সম্ভাব্য মোট ক্ষতি প্রায় ২.৭৬ বিলিয়ন ডলার বলে অনুমান করা হচ্ছে। এছাড়া সামরিক অভিযান পরিচালনার খরচ যোগ করলে এই ব্যয় ৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করেনি। সূত্র: স্পুটনিক