বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজ-এর কাছে এল আল্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ অবতরণের সময় দেশটির বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০ কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৫ জন নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রবল ঝড় ও বজ্রপাতের মধ্যে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পাশের একটি ব্যস্ত মহাসড়কে আছড়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমানটি মহাসড়কে পড়ে অন্তত ১৫টি যানবাহন দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সান্তা ক্রুজ থেকে ছেড়ে আসা এই সামরিক বিমানটিতে বলিভিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংকের জন্য ছাপানো বিপুল পরিমাণ নতুন ব্যাংক নোট ছিল। দুর্ঘটনার পর বিমানের ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ টাকা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় জমিয়ে ছড়িয়ে থাকা নোট সংগ্রহের চেষ্টা করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখে।
বলিভিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক এক বিবৃতিতে জানায়,
“উদ্ধারকৃত ব্যাংক নোটগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে ছাড়া হয়নি। এসব নোটের কোনো সিরিয়াল নম্বর বা আইনি মূল্য নেই। ফলে এগুলো কেনাকাটায় ব্যবহারযোগ্য নয় এবং নিজের কাছে রাখা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”
কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে বৈরী আবহাওয়াকে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: Reuters
বিষয় : বিমান বিধ্বস্ত বলিভিয়া

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজ-এর কাছে এল আল্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ অবতরণের সময় দেশটির বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০ কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৫ জন নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রবল ঝড় ও বজ্রপাতের মধ্যে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পাশের একটি ব্যস্ত মহাসড়কে আছড়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমানটি মহাসড়কে পড়ে অন্তত ১৫টি যানবাহন দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সান্তা ক্রুজ থেকে ছেড়ে আসা এই সামরিক বিমানটিতে বলিভিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংকের জন্য ছাপানো বিপুল পরিমাণ নতুন ব্যাংক নোট ছিল। দুর্ঘটনার পর বিমানের ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ টাকা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় জমিয়ে ছড়িয়ে থাকা নোট সংগ্রহের চেষ্টা করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখে।
বলিভিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক এক বিবৃতিতে জানায়,
“উদ্ধারকৃত ব্যাংক নোটগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে ছাড়া হয়নি। এসব নোটের কোনো সিরিয়াল নম্বর বা আইনি মূল্য নেই। ফলে এগুলো কেনাকাটায় ব্যবহারযোগ্য নয় এবং নিজের কাছে রাখা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”
কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে বৈরী আবহাওয়াকে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: Reuters

আপনার মতামত লিখুন