দৈনিক নিবার্তা

বীথিকা বিনতে হোসাইনকে সংরক্ষিত নারী এমপি হিসেবে দেখতে চায় লক্ষ্মীপুরবাসী


প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বীথিকা বিনতে হোসাইনকে সংরক্ষিত নারী এমপি হিসেবে দেখতে চায় লক্ষ্মীপুরবাসী
বাঁয়ে: প্রয়াত শফিউল বারী বাবু

স্টাফ রিপোর্টার, লক্ষ্মীপুর | প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি

প্রয়াত ছাত্রনেতা শফিউল বারী বাবু-এর সহধর্মিণী বীথিকা বিনতে হোসাইনকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় লক্ষ্মীপুরবাসী। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এ দাবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পর থেকে তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। প্রয়াত বাবু রামগতির বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে বীথিকা বিনতে হোসাইনের বাড়ি সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে। ফলে জেলার দুই প্রান্তেই রয়েছে তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা।


রাজপথের সাহসী কণ্ঠস্বর ছিলেন বাবু

শফিউল বারী বাবু ছিলেন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এবং রাজপথের সাহসী সৈনিক।
“আমার নেত্রী আমার মা, বন্দী হতে পারে না”—এই আলোচিত স্লোগানের মাধ্যমে তিনি দেশ-বিদেশে পরিচিতি পান। সংশ্লিষ্টদের দাবি, স্লোগানটির প্রবক্তাও ছিলেন তিনি।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর মুক্তি এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে আমৃত্যু রাজপথে সংগ্রাম করেছেন বাবু। জীবনের দীর্ঘ সময় তাকে আত্মগোপনে কিংবা কারাগারে কাটাতে হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, পুলিশি নির্যাতন ও রিমান্ডও সহ্য করতে হয়েছে তাকে। তিনি ছিলেন দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও ত্যাগী সংগঠক।


মানবিক সংগঠন ‘অর্পণ আলোক’ প্রতিষ্ঠা

বীথিকা বিনতে হোসাইন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল থেকে উঠে আসা একজন সংগঠক। তিনি ‘অর্পণ আলোক’ নামে একটি মানবিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বাবুর মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া কর্মী-সমর্থক, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মী এবং দেশজুড়ে বিএনপির নির্যাতিত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ‘অর্পণ আলোক’-এর মাধ্যমে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দিয়ে আপদে-বিপদে সহযোগিতা করছেন।

একজন স্থানীয় নেতা বলেন, “বাবুর আদর্শ ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে বীথিকা আপা যে ভূমিকা রাখছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি শুধু রাজনৈতিক নয়, মানবিক দিক থেকেও আমাদের ভরসার জায়গা।”


সামাজিক মাধ্যমে জোরালো আলোচনা

লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ ও তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি তুলেছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রয়াত শফিউল বারী বাবু জীবদ্দশায় লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের উপকূলীয় জনপদের অবহেলিত মানুষের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংরক্ষিত নারী আসনে বীথিকা বিনতে হোসাইনকে মূল্যায়ন করলে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করছেন তারা।

জেলার সচেতন মহলের প্রত্যাশা, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মানবিক নারী নেতৃত্বকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন এবং লক্ষ্মীপুরবাসীর প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবেন।

বিষয় : বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসন বিথীকা বিনতে হোসাইন বিএনপি শফিউল বারী বাবু

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক নিবার্তা

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬


বীথিকা বিনতে হোসাইনকে সংরক্ষিত নারী এমপি হিসেবে দেখতে চায় লক্ষ্মীপুরবাসী

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

স্টাফ রিপোর্টার, লক্ষ্মীপুর | প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি

প্রয়াত ছাত্রনেতা শফিউল বারী বাবু-এর সহধর্মিণী বীথিকা বিনতে হোসাইনকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় লক্ষ্মীপুরবাসী। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এ দাবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পর থেকে তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। প্রয়াত বাবু রামগতির বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে বীথিকা বিনতে হোসাইনের বাড়ি সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে। ফলে জেলার দুই প্রান্তেই রয়েছে তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা।


রাজপথের সাহসী কণ্ঠস্বর ছিলেন বাবু

শফিউল বারী বাবু ছিলেন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এবং রাজপথের সাহসী সৈনিক।
“আমার নেত্রী আমার মা, বন্দী হতে পারে না”—এই আলোচিত স্লোগানের মাধ্যমে তিনি দেশ-বিদেশে পরিচিতি পান। সংশ্লিষ্টদের দাবি, স্লোগানটির প্রবক্তাও ছিলেন তিনি।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর মুক্তি এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে আমৃত্যু রাজপথে সংগ্রাম করেছেন বাবু। জীবনের দীর্ঘ সময় তাকে আত্মগোপনে কিংবা কারাগারে কাটাতে হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, পুলিশি নির্যাতন ও রিমান্ডও সহ্য করতে হয়েছে তাকে। তিনি ছিলেন দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও ত্যাগী সংগঠক।


মানবিক সংগঠন ‘অর্পণ আলোক’ প্রতিষ্ঠা

বীথিকা বিনতে হোসাইন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল থেকে উঠে আসা একজন সংগঠক। তিনি ‘অর্পণ আলোক’ নামে একটি মানবিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছেন।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, বাবুর মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া কর্মী-সমর্থক, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মী এবং দেশজুড়ে বিএনপির নির্যাতিত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ‘অর্পণ আলোক’-এর মাধ্যমে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দিয়ে আপদে-বিপদে সহযোগিতা করছেন।

একজন স্থানীয় নেতা বলেন, “বাবুর আদর্শ ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে বীথিকা আপা যে ভূমিকা রাখছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি শুধু রাজনৈতিক নয়, মানবিক দিক থেকেও আমাদের ভরসার জায়গা।”


সামাজিক মাধ্যমে জোরালো আলোচনা

লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ ও তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি তুলেছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রয়াত শফিউল বারী বাবু জীবদ্দশায় লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের উপকূলীয় জনপদের অবহেলিত মানুষের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংরক্ষিত নারী আসনে বীথিকা বিনতে হোসাইনকে মূল্যায়ন করলে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করছেন তারা।

জেলার সচেতন মহলের প্রত্যাশা, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মানবিক নারী নেতৃত্বকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন এবং লক্ষ্মীপুরবাসীর প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাবেন।


দৈনিক নিবার্তা

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান
দৈনিক নিবার্তা- সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক নিবার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত