সাভার প্রতিনিধি: সাভার উপজেলার রেডিও কলোনি এলাকায় ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আরমান হোসেন বাবু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই রেডিও কলোনি ফুটপাতের চা দোকান, সবজি ও মাছ বিক্রেতা এবং ডাব বিক্রেতাদের কাছ থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৫০০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা না দিলে দোকান বসাতে দেওয়া হয় না এবং নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
সর্বশেষ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে চাঁদাবাজির একটি ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ডাব বিক্রেতা নুর আলম বলেন,
“প্রতিদিনের মতো রেডিও কলোনি ফুটব্রিজের নিচে দোকান বসাই। সকাল প্রায় ১১টার দিকে আরমান হোসেন বাবুর নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি দল এসে আমার কাছে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে গালিগালাজ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন,
“একপর্যায়ে আমার ভ্যানে থাকা প্রায় ২০০ পিস ডাবসহ পুরো ভ্যানটাই নিয়ে যায়। ভ্যানটাই আমার জীবিকার একমাত্র সম্বল।”
নুর আলম জানান, ভ্যানটি ফেরত পেতে তিনি অভিযুক্তের বাসায় যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সফল হননি।
একই ধরনের অভিযোগ করেছেন আরেক ডাব বিক্রেতা সাজিবুল ইসলাম রনি। তিনি বলেন,
“২৯ তারিখ বৃহস্পতিবার দুপুরে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, চাঁদা না দিলে আর দোকান বসাতে দেওয়া হবে না। পরে আমার মালামালও নিয়ে যায়।”
স্থানীয় দিনমজুর ও ক্ষুদ্র হকাররা জানান, সারাদিন রোদে পুড়ে যে অল্প আয় হয়, তার বড় একটি অংশ চাঁদা হিসেবে দিতে হলে তাদের পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।
একাধিক হকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“রাজনীতির নাম ভাঙিয়ে যদি আমাদের মতো গরিব মানুষের রুটি-রুজি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব?”
ভুক্তভোগীরা রেডিও কলোনি এলাকাকে চাঁদামুক্ত ঘোষণা করে নিরাপদে ব্যবসা করার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের দাবি, রাজনীতির আড়ালে যারা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সাভার প্রতিনিধি: সাভার উপজেলার রেডিও কলোনি এলাকায় ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আরমান হোসেন বাবু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই রেডিও কলোনি ফুটপাতের চা দোকান, সবজি ও মাছ বিক্রেতা এবং ডাব বিক্রেতাদের কাছ থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৫০০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা না দিলে দোকান বসাতে দেওয়া হয় না এবং নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
সর্বশেষ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে চাঁদাবাজির একটি ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ডাব বিক্রেতা নুর আলম বলেন,
“প্রতিদিনের মতো রেডিও কলোনি ফুটব্রিজের নিচে দোকান বসাই। সকাল প্রায় ১১টার দিকে আরমান হোসেন বাবুর নেতৃত্বে ৮-১০ জনের একটি দল এসে আমার কাছে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে গালিগালাজ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন,
“একপর্যায়ে আমার ভ্যানে থাকা প্রায় ২০০ পিস ডাবসহ পুরো ভ্যানটাই নিয়ে যায়। ভ্যানটাই আমার জীবিকার একমাত্র সম্বল।”
নুর আলম জানান, ভ্যানটি ফেরত পেতে তিনি অভিযুক্তের বাসায় যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সফল হননি।
একই ধরনের অভিযোগ করেছেন আরেক ডাব বিক্রেতা সাজিবুল ইসলাম রনি। তিনি বলেন,
“২৯ তারিখ বৃহস্পতিবার দুপুরে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, চাঁদা না দিলে আর দোকান বসাতে দেওয়া হবে না। পরে আমার মালামালও নিয়ে যায়।”
স্থানীয় দিনমজুর ও ক্ষুদ্র হকাররা জানান, সারাদিন রোদে পুড়ে যে অল্প আয় হয়, তার বড় একটি অংশ চাঁদা হিসেবে দিতে হলে তাদের পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।
একাধিক হকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“রাজনীতির নাম ভাঙিয়ে যদি আমাদের মতো গরিব মানুষের রুটি-রুজি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাব?”
ভুক্তভোগীরা রেডিও কলোনি এলাকাকে চাঁদামুক্ত ঘোষণা করে নিরাপদে ব্যবসা করার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের দাবি, রাজনীতির আড়ালে যারা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন