ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় এক নারীকে নারিকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৬নং চর-চান্দিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে।
ভুক্তভোগী নারীর নাম নুপুর আক্তার (লাল ভুয়ার বাড়ি)। তিনি জানান, পারিবারিক পূর্ব বিরোধের জের ধরে ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে একই বাড়ির কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, **বেলাল হোসেন (পিতা- আব্দুল মোতালেব), জাহেদ হোসেন (পিতা- আব্দুল মোতালেব) ও নুরা মিয়া (পিতা- মোঃ গফুর, পেশায় ড্রাইভার)**সহ তাদের পরিবারের লোকজন নুপুর আক্তারকে রশি দিয়ে বেঁধে টেনে হিঁচড়ে নিজেদের উঠানে থাকা একটি নারিকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর তাকে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে মারধর করা হয়, এতে তার শরীরে গুরুতর ফোলা জখম হয়।
ভিকটিম নুপুর আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “পুরুষ আসামিরা আমাকে মারধরের পাশাপাশি শ্লীলতাহানিও করেছে।”
তিনি আরও জানান, বিবাদীরা তাদের খড়ের চিন পুড়ে যাওয়ার ঘটনার দায় তার ওপর চাপিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
নুপুর আক্তার বলেন, “ঘটনার সময় কেউ একজন ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ এসে আমার হাতের বাঁধন খুলে আমাকে উদ্ধার করে।”
এ ঘটনায় ভিকটিম সোনাগাজী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর এনামুল হক জানান, তিনি সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে উভয় পক্ষকে থানায় উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।”
বিষয় : অপরাধ শ্লীলতাহানি

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় এক নারীকে নারিকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৬নং চর-চান্দিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে।
ভুক্তভোগী নারীর নাম নুপুর আক্তার (লাল ভুয়ার বাড়ি)। তিনি জানান, পারিবারিক পূর্ব বিরোধের জের ধরে ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে একই বাড়ির কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, **বেলাল হোসেন (পিতা- আব্দুল মোতালেব), জাহেদ হোসেন (পিতা- আব্দুল মোতালেব) ও নুরা মিয়া (পিতা- মোঃ গফুর, পেশায় ড্রাইভার)**সহ তাদের পরিবারের লোকজন নুপুর আক্তারকে রশি দিয়ে বেঁধে টেনে হিঁচড়ে নিজেদের উঠানে থাকা একটি নারিকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর তাকে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে মারধর করা হয়, এতে তার শরীরে গুরুতর ফোলা জখম হয়।
ভিকটিম নুপুর আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “পুরুষ আসামিরা আমাকে মারধরের পাশাপাশি শ্লীলতাহানিও করেছে।”
তিনি আরও জানান, বিবাদীরা তাদের খড়ের চিন পুড়ে যাওয়ার ঘটনার দায় তার ওপর চাপিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
নুপুর আক্তার বলেন, “ঘটনার সময় কেউ একজন ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ এসে আমার হাতের বাঁধন খুলে আমাকে উদ্ধার করে।”
এ ঘটনায় ভিকটিম সোনাগাজী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর এনামুল হক জানান, তিনি সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে উভয় পক্ষকে থানায় উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন