সোনাগাজী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড মহিলা জামায়াতের কুরআন ক্লাসে যুবদল কর্তৃক হামলার অভিযোগ সংক্রান্ত প্রকাশিত একটি সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৮নং ওয়ার্ড মহিলা বিভাগ।
এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ঘটনার দিন পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মহিলা জামায়াতের নিয়মিত কুরআন ক্লাস স্থানীয় জামায়াত কর্মী হাজী আবুল কাশেম মিয়ার বাড়িতে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ওই ক্লাসে প্রায় ৪০ জনের অধিক মহিলা কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্লাস চলাকালে সেতারা বেগম নামের এক নারী, যিনি স্থানীয় যুবদল নেতা জিকুর স্ত্রী, দরজার বাইরে এসে কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি ক্লাসে অংশগ্রহণ না করেই বাইরে অবস্থান করছিলেন। কিছুক্ষণ পর জিকু সহ আরও কয়েকজন পুরুষ হঠাৎ করে প্রোগ্রাম কক্ষে প্রবেশ করে এবং ঘরের কর্তা হাজী আবুল কাশেমের পরিবারসহ উপস্থিত মহিলাদের উদ্দেশ্যে অশালীন ও নোংরা ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে।
ঘটনার ভিডিও ধারণের সময় জিকুর স্ত্রী একজন মহিলা জামায়াত কর্মীর মোবাইল ফোন আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া, একজন যুবদল কর্মী লাঠি হাতে মহিলাদের দিকে তেড়ে আসার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করা হয়। পরবর্তীতে পৌর যুবদল নেতা ইকবাল সহ আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়, ওই কুরআন ক্লাসে সূরা নিসার ৩৫ নম্বর আয়াতের আলোচনা করা হয়, যা স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য, আলোচনা বা নির্বাচন সংক্রান্ত কথা বলা হয়নি।
“দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত-জাহান্নাম”—এ ধরনের কোনো বক্তব্য প্রোগ্রামে উচ্চারিত হয়নি উল্লেখ করে তারা বলেন, যারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন তাদের মিথ্যার শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তি কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন এবং তিনি ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাও নন। ফলে এটি নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতায় অনধিকার হস্তক্ষেপ বলে তারা মনে করেন।
সোনাগাজী উপজেলা মহিলা জামায়াত দাবি করে, অতীতেও ফ্যাসিস্ট শাসনামলে তাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে হামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে। তবে মামলা-হামলা দিয়ে তাদের দমন করা যাবে না বলে উল্লেখ করে তারা জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে তারা ভীত নন বরং আরও সংকল্পবদ্ধ।
সবশেষে, সোনাগাজীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডের জবাব দিন।
বিবৃতি প্রদান করেন—
৮নং ওয়ার্ড মহিলা বিভাগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি
সোনাগাজী পৌরসভা।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
সোনাগাজী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড মহিলা জামায়াতের কুরআন ক্লাসে যুবদল কর্তৃক হামলার অভিযোগ সংক্রান্ত প্রকাশিত একটি সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৮নং ওয়ার্ড মহিলা বিভাগ।
এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ঘটনার দিন পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে মহিলা জামায়াতের নিয়মিত কুরআন ক্লাস স্থানীয় জামায়াত কর্মী হাজী আবুল কাশেম মিয়ার বাড়িতে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ওই ক্লাসে প্রায় ৪০ জনের অধিক মহিলা কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্লাস চলাকালে সেতারা বেগম নামের এক নারী, যিনি স্থানীয় যুবদল নেতা জিকুর স্ত্রী, দরজার বাইরে এসে কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি ক্লাসে অংশগ্রহণ না করেই বাইরে অবস্থান করছিলেন। কিছুক্ষণ পর জিকু সহ আরও কয়েকজন পুরুষ হঠাৎ করে প্রোগ্রাম কক্ষে প্রবেশ করে এবং ঘরের কর্তা হাজী আবুল কাশেমের পরিবারসহ উপস্থিত মহিলাদের উদ্দেশ্যে অশালীন ও নোংরা ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে।
ঘটনার ভিডিও ধারণের সময় জিকুর স্ত্রী একজন মহিলা জামায়াত কর্মীর মোবাইল ফোন আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া, একজন যুবদল কর্মী লাঠি হাতে মহিলাদের দিকে তেড়ে আসার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করা হয়। পরবর্তীতে পৌর যুবদল নেতা ইকবাল সহ আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়, ওই কুরআন ক্লাসে সূরা নিসার ৩৫ নম্বর আয়াতের আলোচনা করা হয়, যা স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য, আলোচনা বা নির্বাচন সংক্রান্ত কথা বলা হয়নি।
“দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত-জাহান্নাম”—এ ধরনের কোনো বক্তব্য প্রোগ্রামে উচ্চারিত হয়নি উল্লেখ করে তারা বলেন, যারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন তাদের মিথ্যার শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তি কোনো প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন এবং তিনি ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাও নন। ফলে এটি নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতায় অনধিকার হস্তক্ষেপ বলে তারা মনে করেন।
সোনাগাজী উপজেলা মহিলা জামায়াত দাবি করে, অতীতেও ফ্যাসিস্ট শাসনামলে তাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে হামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে। তবে মামলা-হামলা দিয়ে তাদের দমন করা যাবে না বলে উল্লেখ করে তারা জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে তারা ভীত নন বরং আরও সংকল্পবদ্ধ।
সবশেষে, সোনাগাজীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ডের জবাব দিন।
বিবৃতি প্রদান করেন—
৮নং ওয়ার্ড মহিলা বিভাগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি
সোনাগাজী পৌরসভা।

আপনার মতামত লিখুন