জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে গত বছরের ৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে মিন্টু তার দাখিল করা হলফনামায় উল্লেখ করেন।
হলফনামা অনুযায়ী, পেশায় ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। তার নিজের নামে কোনো ব্যক্তিগত ঋণ নেই। তবে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে রয়েছে প্রায় ২৯৪ কোটি টাকার ঋণ।
মিন্টুর ঘোষিত স্থাবর সম্পদের বাজারমূল্য ৩৩৩ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা। এর মধ্যে—
অন্যদিকে, অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ৪০১ টাকা। এর মধ্যে—
এছাড়া সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত ও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ রয়েছে ৭৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩৬৩ টাকা। স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে অতিরিক্ত সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ১৮ কোটি ২২ লাখ ২৫ হাজার ১২৫ টাকা।
গত বছরে দেশে মিন্টুর বার্ষিক আয় ছিল ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা। হলফনামায় দেশের বাইরে কোনো আয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী—
হলফনামায় তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়ালকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করে তার সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৯৯ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৬৯৮ টাকা।
তিন সন্তানের মধ্যে—
আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বিরুদ্ধে অতীতে ২৬টি মামলা থাকলেও সবগুলোতে তিনি খালাস ও অব্যাহতি পেয়েছেন। তবে রাজধানীর ধানমন্ডি সংক্রান্ত একটি মামলা বর্তমানে সিএমএম আদালতে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।
১৯৪৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী মিন্টুর স্থায়ী ঠিকানা ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়াপুর ফরাজি বাড়ি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর গুলশানে বসবাস করছেন।
তার শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর।
বিষয় : বিএনপি আব্দুল আউয়াল মিন্টু ফেনী-৩

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে গত বছরের ৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে মিন্টু তার দাখিল করা হলফনামায় উল্লেখ করেন।
হলফনামা অনুযায়ী, পেশায় ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। তার নিজের নামে কোনো ব্যক্তিগত ঋণ নেই। তবে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে রয়েছে প্রায় ২৯৪ কোটি টাকার ঋণ।
মিন্টুর ঘোষিত স্থাবর সম্পদের বাজারমূল্য ৩৩৩ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা। এর মধ্যে—
অন্যদিকে, অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ৪০১ টাকা। এর মধ্যে—
এছাড়া সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত ও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ রয়েছে ৭৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩৬৩ টাকা। স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে অতিরিক্ত সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ১৮ কোটি ২২ লাখ ২৫ হাজার ১২৫ টাকা।
গত বছরে দেশে মিন্টুর বার্ষিক আয় ছিল ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা। হলফনামায় দেশের বাইরে কোনো আয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী—
হলফনামায় তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়ালকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করে তার সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৯৯ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৬৯৮ টাকা।
তিন সন্তানের মধ্যে—
আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বিরুদ্ধে অতীতে ২৬টি মামলা থাকলেও সবগুলোতে তিনি খালাস ও অব্যাহতি পেয়েছেন। তবে রাজধানীর ধানমন্ডি সংক্রান্ত একটি মামলা বর্তমানে সিএমএম আদালতে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।
১৯৪৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী মিন্টুর স্থায়ী ঠিকানা ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়াপুর ফরাজি বাড়ি। বর্তমানে তিনি রাজধানীর গুলশানে বসবাস করছেন।
তার শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর।

আপনার মতামত লিখুন