দৈনিক নিবার্তা

দেশবাসীর ভালোবাসায় অভিভূত তারেক রহমান, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

দেশবাসীর ভালোবাসায় অভিভূত তারেক রহমান, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
ডানে- তারেক রহমানের ফেসবুক পোষ্ট



নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা: 

দীর্ঘ ১৭ বছর পর মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনকে জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করে দেশবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ অনুভূতির কথা জানান।

তারেক রহমান বলেন, গত বৃহস্পতিবারের দিনটি তিনি আজীবন হৃদয়ে ধারণ করে রাখবেন। দীর্ঘ নির্বাসনের পর দেশের মাটিতে পা রাখার মুহূর্ত এবং ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ঢল তাকে আবেগাপ্লুত করেছে। তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর মাতৃভূমির মাটিতে ফিরে আসা আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।”

ফেসবুক পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানান, তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও দোয়ার দৃশ্য তিনি কোনো দিন ভুলতে পারবেন না। তার ভাষায়, “ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ঢল আর লাখো মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা আমি কোনো দিন ভুলতে পারব না।”

দেশে ফেরাকে ঘিরে নিজের ও পরিবারের অনুভূতির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এই প্রত্যাবর্তনে যে ভালোবাসা ও সম্মান তারা পেয়েছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তিনি বলেন, “এই ফিরে আসাকে ঘিরে আমার এবং আমার পরিবারের মনে যে ভালোবাসা ও সম্মান কাজ করছে, তা কথায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”

প্রতিকূল সময়েও যারা পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “সব প্রতিকূলতার মাঝেও যারা পাশে ছিলেন এবং কখনো আশা হারাননি, তাদের সাহস আমাকে এগিয়ে চলার শক্তি জুগিয়েছে।”

নাগরিক সমাজ, তরুণ সমাজ, পেশাজীবী, কৃষক ও শ্রমিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশ সবচেয়ে শক্তিশালী হয় তখনই, যখন এ দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকে।”

ঐতিহাসিক এই প্রত্যাবর্তন দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকাকেও প্রশংসা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, “এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।” একই সঙ্গে দেশে ফেরার সময় নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সার্বিকভাবে দেশের মানুষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, “নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের মানুষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা অপরিসীম।”

এছাড়া তার দেশে ফেরাকে স্বাগত জানানো অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, “আমার দেশে ফেরাকে স্বাগত জানানো অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।” গণতন্ত্র, বহুদলীয় সহাবস্থান এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করছেন বলেও জানান তিনি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, তিনি শুধু স্বপ্নের কথা বলেননি, বরং একটি বাস্তব পরিকল্পনার কথা বলেছেন। তার ভাষায়, “আমি শুধু স্বপ্নের কথা বলিনি; বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বাস্তব পরিকল্পনার কথাই বলেছি।”

তিনি আরও বলেন, এই পরিকল্পনার লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, “যেখানে শান্তি ও মর্যাদা থাকবে, প্রতিটি মানুষ নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে, আর প্রতিটি শিশু আশার আলো নিয়ে বড় হবে।”

সবশেষে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই পরিকল্পনা সব বাংলাদেশির জন্য—“একটি ঐক্যবদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সবাইকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বাংলাদেশের জন্য।” একই সঙ্গে তিনি দোয়া করেন, আল্লাহ যেন বাংলাদেশ ও এর মানুষকে সবসময় তাঁর রহমতে রাখেন।



বিষয় : বিএনপি তারেক রহমান

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক নিবার্তা

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬


দেশবাসীর ভালোবাসায় অভিভূত তারেক রহমান, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image



নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা: 

দীর্ঘ ১৭ বছর পর মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনকে জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করে দেশবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ অনুভূতির কথা জানান।

তারেক রহমান বলেন, গত বৃহস্পতিবারের দিনটি তিনি আজীবন হৃদয়ে ধারণ করে রাখবেন। দীর্ঘ নির্বাসনের পর দেশের মাটিতে পা রাখার মুহূর্ত এবং ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ঢল তাকে আবেগাপ্লুত করেছে। তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর মাতৃভূমির মাটিতে ফিরে আসা আমার জীবনের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।”

ফেসবুক পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানান, তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও দোয়ার দৃশ্য তিনি কোনো দিন ভুলতে পারবেন না। তার ভাষায়, “ঢাকার রাস্তাজুড়ে মানুষের ঢল আর লাখো মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা আমি কোনো দিন ভুলতে পারব না।”

দেশে ফেরাকে ঘিরে নিজের ও পরিবারের অনুভূতির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এই প্রত্যাবর্তনে যে ভালোবাসা ও সম্মান তারা পেয়েছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তিনি বলেন, “এই ফিরে আসাকে ঘিরে আমার এবং আমার পরিবারের মনে যে ভালোবাসা ও সম্মান কাজ করছে, তা কথায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”

প্রতিকূল সময়েও যারা পাশে ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “সব প্রতিকূলতার মাঝেও যারা পাশে ছিলেন এবং কখনো আশা হারাননি, তাদের সাহস আমাকে এগিয়ে চলার শক্তি জুগিয়েছে।”

নাগরিক সমাজ, তরুণ সমাজ, পেশাজীবী, কৃষক ও শ্রমিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশ সবচেয়ে শক্তিশালী হয় তখনই, যখন এ দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকে।”

ঐতিহাসিক এই প্রত্যাবর্তন দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকাকেও প্রশংসা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, “এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।” একই সঙ্গে দেশে ফেরার সময় নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সার্বিকভাবে দেশের মানুষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, “নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের মানুষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা অপরিসীম।”

এছাড়া তার দেশে ফেরাকে স্বাগত জানানো অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, “আমার দেশে ফেরাকে স্বাগত জানানো অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।” গণতন্ত্র, বহুদলীয় সহাবস্থান এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করছেন বলেও জানান তিনি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, তিনি শুধু স্বপ্নের কথা বলেননি, বরং একটি বাস্তব পরিকল্পনার কথা বলেছেন। তার ভাষায়, “আমি শুধু স্বপ্নের কথা বলিনি; বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বাস্তব পরিকল্পনার কথাই বলেছি।”

তিনি আরও বলেন, এই পরিকল্পনার লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, “যেখানে শান্তি ও মর্যাদা থাকবে, প্রতিটি মানুষ নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে, আর প্রতিটি শিশু আশার আলো নিয়ে বড় হবে।”

সবশেষে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই পরিকল্পনা সব বাংলাদেশির জন্য—“একটি ঐক্যবদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সবাইকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বাংলাদেশের জন্য।” একই সঙ্গে তিনি দোয়া করেন, আল্লাহ যেন বাংলাদেশ ও এর মানুষকে সবসময় তাঁর রহমতে রাখেন।




দৈনিক নিবার্তা

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান
দৈনিক নিবার্তা- সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক নিবার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত