ঘোষিত সমঝোতার আসনগুলো হলো—বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ আসনে ইসলামী ঐক্য জোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-৪ আসনে একই দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
বিএনপি সূত্র জানায়, যেসব আসনে শরিকদের সঙ্গে সমঝোতা হবে, সেখানে বিএনপি নিজস্ব কোনো প্রার্থী দেবে না। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শরিক দলগুলোও কেবল নির্ধারিত আসনেই প্রার্থী দিতে পারবে—অন্য কোনো আসনে নয়। এই শর্তের ভিত্তিতেই আসন সমঝোতা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে যারা নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী, তাদের বিষয়টি দল বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, বিএনপি ২০১৪ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও দলটি পুরোপুরি মাঠে সক্রিয় থাকতে পারেনি।
দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনে নির্যাতন–নিপীড়নের শিকার অনেক নেতার মধ্যেই এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ বেড়েছে। ফলে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি। এ বাস্তবতায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের জন্য আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে সতর্ক ও হিসাবনিকাশ করেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদাও নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবে তার প্রার্থিতার বিষয়ে বিএনপি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে।
বিএনপি এ পর্যন্ত দুই দফায় মোট ২৭২টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। বাকি ২৮টি আসন শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে। এর অংশ হিসেবে গতকাল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন দেওয়া হয়েছে।
এসব আসনে দলটির আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক সিলেট-৫, মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি নীলফামারী-১, জুনায়েদ আল হাবিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এবং মনির হোসেন কাসেমী নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে প্রার্থী হবেন। পাশাপাশি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭ আসনে নির্বাচন করবেন।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
ঘোষিত সমঝোতার আসনগুলো হলো—বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ আসনে ইসলামী ঐক্য জোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-৪ আসনে একই দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
বিএনপি সূত্র জানায়, যেসব আসনে শরিকদের সঙ্গে সমঝোতা হবে, সেখানে বিএনপি নিজস্ব কোনো প্রার্থী দেবে না। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শরিক দলগুলোও কেবল নির্ধারিত আসনেই প্রার্থী দিতে পারবে—অন্য কোনো আসনে নয়। এই শর্তের ভিত্তিতেই আসন সমঝোতা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে যারা নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী, তাদের বিষয়টি দল বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, বিএনপি ২০১৪ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও দলটি পুরোপুরি মাঠে সক্রিয় থাকতে পারেনি।
দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনে নির্যাতন–নিপীড়নের শিকার অনেক নেতার মধ্যেই এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ বেড়েছে। ফলে মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি। এ বাস্তবতায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের জন্য আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে সতর্ক ও হিসাবনিকাশ করেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদাও নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি, তবে তার প্রার্থিতার বিষয়ে বিএনপি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে।
বিএনপি এ পর্যন্ত দুই দফায় মোট ২৭২টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। বাকি ২৮টি আসন শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে। এর অংশ হিসেবে গতকাল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন দেওয়া হয়েছে।
এসব আসনে দলটির আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক সিলেট-৫, মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি নীলফামারী-১, জুনায়েদ আল হাবিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এবং মনির হোসেন কাসেমী নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে প্রার্থী হবেন। পাশাপাশি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭ আসনে নির্বাচন করবেন।

আপনার মতামত লিখুন