অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত ট্রাক চলাচল ও সংস্কারের অভাবে রাস্তাজুড়ে গভীর গর্ত**
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া বাজার থেকে চিলাদি-তেমুহনী হয়ে উত্তর মাহাতাবপুর ও মানিকমুড়া পর্যন্ত প্রায় পুরো সড়কজুড়ে এখন একই চিত্র—খানাখন্দে ভরা ভাঙা রাস্তা, ধুলাবালিতে অস্বস্তিকর পরিবেশ, আর প্রতিদিনের দুর্ঘটনার শঙ্কা। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির পরও সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় সীমান্তবর্তী কুমিল্লা–নোয়াখালীর লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
সড়কের পূর্ব পাশে চারটি ইটের ভাটা এবং পশ্চিম পাশে খাল থাকায় প্রতিনিয়ত মাটি বোঝাই ট্রাক ও ইটবোঝাই ভারী যানবাহন চলাচল করে। ফলে নতুন করে পিচঢালাই করা হলেও কয়েক মাসের মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন অংশ বড় বড় গর্তে পরিণত হয়। স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমের পানি ও ২০২৪ এবং ২০২৫ সালের বন্যায় সড়কের অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়ে।
রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন—
সড়কের একাধিক স্থানে গভীর গর্ত থাকায় অনেক সময় মোটরসাইকেল, সিএনজি ও অটোরিকশা হোঁচট খেয়ে উল্টে যাচ্ছে।
শীত ও গরমের মৌসুমে রাস্তা থেকে ধুলাবালি উড়ে আশপাশের বাড়িঘর ঢেকে যায়। ফলে এলাকায়
চিলাদি মহিলা আলীম মাদ্রাসা, তেমুহনী এ.আর.বি. হাইস্কুল, চিলাদি দাওয়াতুল কুরআন ইসলামিয়া মাদ্রাসা, ছাতারপাইয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ছাতারপাইয়া এ.ই.কে. দাখিল মাদ্রাসাসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে চলাচল করে।
ছাতারপাইয়া–চিলাদি–তেমুহনী–মানিকমুড়া সড়কটি সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী উপজেলার পাশাপাশি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ, বিপুলাসার, নাথেরপেটুয়া, ভোগই, কান্দি, নিশ্চিন্তপুরসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের একমাত্র বিকল্প সড়ক।
পথটি দিয়ে দৈনিক হাজারো মানুষ অফিস-আদালত, বাজার, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, থানা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে।
স্থানীয়দের দাবি, সড়কটি শুধু সংস্কার নয়, জরুরি ভিত্তিতে পুনঃনির্মাণ, প্রশস্তকরণ ও উঁচুকরণ প্রয়োজন। বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবুল হকের নামে নামকরণ করা এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
বিষয় : সংস্কার জনভোগান্তি

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫
অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত ট্রাক চলাচল ও সংস্কারের অভাবে রাস্তাজুড়ে গভীর গর্ত**
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া বাজার থেকে চিলাদি-তেমুহনী হয়ে উত্তর মাহাতাবপুর ও মানিকমুড়া পর্যন্ত প্রায় পুরো সড়কজুড়ে এখন একই চিত্র—খানাখন্দে ভরা ভাঙা রাস্তা, ধুলাবালিতে অস্বস্তিকর পরিবেশ, আর প্রতিদিনের দুর্ঘটনার শঙ্কা। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির পরও সংস্কারের উদ্যোগ না থাকায় সীমান্তবর্তী কুমিল্লা–নোয়াখালীর লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।
সড়কের পূর্ব পাশে চারটি ইটের ভাটা এবং পশ্চিম পাশে খাল থাকায় প্রতিনিয়ত মাটি বোঝাই ট্রাক ও ইটবোঝাই ভারী যানবাহন চলাচল করে। ফলে নতুন করে পিচঢালাই করা হলেও কয়েক মাসের মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন অংশ বড় বড় গর্তে পরিণত হয়। স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমের পানি ও ২০২৪ এবং ২০২৫ সালের বন্যায় সড়কের অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়ে।
রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন—
সড়কের একাধিক স্থানে গভীর গর্ত থাকায় অনেক সময় মোটরসাইকেল, সিএনজি ও অটোরিকশা হোঁচট খেয়ে উল্টে যাচ্ছে।
শীত ও গরমের মৌসুমে রাস্তা থেকে ধুলাবালি উড়ে আশপাশের বাড়িঘর ঢেকে যায়। ফলে এলাকায়
চিলাদি মহিলা আলীম মাদ্রাসা, তেমুহনী এ.আর.বি. হাইস্কুল, চিলাদি দাওয়াতুল কুরআন ইসলামিয়া মাদ্রাসা, ছাতারপাইয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ছাতারপাইয়া এ.ই.কে. দাখিল মাদ্রাসাসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে চলাচল করে।
ছাতারপাইয়া–চিলাদি–তেমুহনী–মানিকমুড়া সড়কটি সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী উপজেলার পাশাপাশি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ, বিপুলাসার, নাথেরপেটুয়া, ভোগই, কান্দি, নিশ্চিন্তপুরসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের একমাত্র বিকল্প সড়ক।
পথটি দিয়ে দৈনিক হাজারো মানুষ অফিস-আদালত, বাজার, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, থানা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে।
স্থানীয়দের দাবি, সড়কটি শুধু সংস্কার নয়, জরুরি ভিত্তিতে পুনঃনির্মাণ, প্রশস্তকরণ ও উঁচুকরণ প্রয়োজন। বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবুল হকের নামে নামকরণ করা এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন