দৈনিক নিবার্তা

কোমল পানীয়তে ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ ও অর্থ আদায়ের অভিযোগে চার শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

পিকনিকের প্রলোভনে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার



পিকনিকের প্রলোভনে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার
ছবিতে আটককৃত চারজন ধর্ষক



আশুলিয়া–সাভার (ঢাকা):

পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ এবং ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগে চার শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজন ভুক্তভোগীর সহপাঠী।

মঙ্গলবার রাতে পুলিশের অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ওই শিক্ষার্থীকে তাঁর সহপাঠীরা পিকনিকে যাওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। সেখানে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাঁকে অচেতন করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় এবং পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়।

পরে সেই ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করে এবং শারীরিক নির্যাতনও চালায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—

  • দেলোয়ার ভূইয়া (২৬), আইন বিভাগ, ২য় বর্ষ
  • তাজুল ইসলাম তাজ (২৩), আইন বিভাগ, ২য় বর্ষ
  • শ্রাবণ শাহা (২৩), আইন বিভাগ, ২য় বর্ষ
  • অন্তু দেওয়ান (২৮), বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষার্থী

জানা গেছে, অন্তু দেওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ানের চাচাতো ভাই।

বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, “মামলার ভিত্তিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।”



বিষয় : গ্রেপ্তার শিক্ষার্থী গনধর্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় বনভোজন

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক নিবার্তা

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬


পিকনিকের প্রলোভনে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image



আশুলিয়া–সাভার (ঢাকা):

পিকনিকের কথা বলে ডেকে নিয়ে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ এবং ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগে চার শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজন ভুক্তভোগীর সহপাঠী।

মঙ্গলবার রাতে পুলিশের অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ওই শিক্ষার্থীকে তাঁর সহপাঠীরা পিকনিকে যাওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। সেখানে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাঁকে অচেতন করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় এবং পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়।

পরে সেই ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করে এবং শারীরিক নির্যাতনও চালায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—

  • দেলোয়ার ভূইয়া (২৬), আইন বিভাগ, ২য় বর্ষ
  • তাজুল ইসলাম তাজ (২৩), আইন বিভাগ, ২য় বর্ষ
  • শ্রাবণ শাহা (২৩), আইন বিভাগ, ২য় বর্ষ
  • অন্তু দেওয়ান (২৮), বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষার্থী

জানা গেছে, অন্তু দেওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ানের চাচাতো ভাই।

বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, “মামলার ভিত্তিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।”




দৈনিক নিবার্তা

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান
দৈনিক নিবার্তা- সংবাদ প্রকাশে আপোষহীন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক নিবার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত