যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতির ২৮ দফা পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা চলছে। তুর্কি বিশ্লেষক Mehmet Kanci–র মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই পরিকল্পনার কাঠামো ইউক্রেনের তুলনায় রাশিয়াকেই বেশি সুবিধা দেবে।
পরিকল্পনার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দফায় দেখা যায়—
রাশিয়ার দখলে থাকা অঞ্চলগুলো রাশিয়ারই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
অর্থাৎ যুদ্ধ শুরুর পর যেসব এলাকা দখল হয়েছে, সেগুলো ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে নিজস্ব সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার শর্ত।
এতে ভবিষ্যতে রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকানোর সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
মার্কিন সাহায্যের অর্থ ফেরত আসবে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ বিক্রি করে।
কিন্তু ইউক্রেন পুনর্গঠনের বিশাল ১০০ বিলিয়ন ডলার বহন করবে ইউরোপীয় দেশগুলো—যা ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক চাপের মুখে থাকা ইউরোপের জন্য বড় চাপ।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালে তুরস্কের মধ্যস্থতায় করা ইস্তাম্বুল ঘোষণাপত্র ছিল অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ। ঐ সময় সমঝোতার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও মার্কিন–ব্রিটিশ কূটনীতিক চাপের কারণে ইউক্রেন আলোচনাটি ছেড়ে দেয়।
বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে টানা চাপের মুখে থাকা ইউক্রেন এখন আরও কঠোর শর্ত মেনে নিতে বাধ্য—এটাই বিশ্লেষকদের মূল মন্তব্য।
ট্রাম্প যদি সত্যিই ২৭ নভেম্বরের সময়সীমা চাপিয়ে দেন, তাহলে মার্কিন সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। সে অবস্থায় ইউক্রেনকে কেবল ইউরোপীয় সহায়তার ওপর যুদ্ধ চালাতে হবে, যা বাস্তবিক অর্থে টেকসই নয়।
বিশ্লেষক Mehmet Kanci মনে করেন—
জেলেনস্কীর চলমান তুরস্ক সফর মূলত এই পরিকল্পনার কঠোর দফাগুলো নরম করতে প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের কূটনৈতিক প্রভাব কাজে লাগানোর এক শেষ প্রচেষ্টা।
তথ্যসূত্র: তুর্কি বিশ্লেষক Mehmet Kanci

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতির ২৮ দফা পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা চলছে। তুর্কি বিশ্লেষক Mehmet Kanci–র মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই পরিকল্পনার কাঠামো ইউক্রেনের তুলনায় রাশিয়াকেই বেশি সুবিধা দেবে।
পরিকল্পনার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দফায় দেখা যায়—
রাশিয়ার দখলে থাকা অঞ্চলগুলো রাশিয়ারই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
অর্থাৎ যুদ্ধ শুরুর পর যেসব এলাকা দখল হয়েছে, সেগুলো ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শূন্য।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে নিজস্ব সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার শর্ত।
এতে ভবিষ্যতে রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকানোর সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
মার্কিন সাহায্যের অর্থ ফেরত আসবে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ বিক্রি করে।
কিন্তু ইউক্রেন পুনর্গঠনের বিশাল ১০০ বিলিয়ন ডলার বহন করবে ইউরোপীয় দেশগুলো—যা ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক চাপের মুখে থাকা ইউরোপের জন্য বড় চাপ।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালে তুরস্কের মধ্যস্থতায় করা ইস্তাম্বুল ঘোষণাপত্র ছিল অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ। ঐ সময় সমঝোতার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও মার্কিন–ব্রিটিশ কূটনীতিক চাপের কারণে ইউক্রেন আলোচনাটি ছেড়ে দেয়।
বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে টানা চাপের মুখে থাকা ইউক্রেন এখন আরও কঠোর শর্ত মেনে নিতে বাধ্য—এটাই বিশ্লেষকদের মূল মন্তব্য।
ট্রাম্প যদি সত্যিই ২৭ নভেম্বরের সময়সীমা চাপিয়ে দেন, তাহলে মার্কিন সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। সে অবস্থায় ইউক্রেনকে কেবল ইউরোপীয় সহায়তার ওপর যুদ্ধ চালাতে হবে, যা বাস্তবিক অর্থে টেকসই নয়।
বিশ্লেষক Mehmet Kanci মনে করেন—
জেলেনস্কীর চলমান তুরস্ক সফর মূলত এই পরিকল্পনার কঠোর দফাগুলো নরম করতে প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের কূটনৈতিক প্রভাব কাজে লাগানোর এক শেষ প্রচেষ্টা।
তথ্যসূত্র: তুর্কি বিশ্লেষক Mehmet Kanci

আপনার মতামত লিখুন