নিজস্ব প্রতিবেদক | নিবার্তা:
জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল সম্মেলনে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরীর প্রশাসন–সংক্রান্ত মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রোববার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জামায়াত তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়।
দলের চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বিবৃতিতে বলেন, “২২ নভেম্বর দেওয়া শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যটি আমরা দেখেছি। এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত মন্তব্য। এ বক্তব্য জামায়াত সমর্থন করে না। আমরা তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং অভ্যন্তরীণভাবেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা বিশ্বাস করি, প্রশাসন পেশাদারিত্বের সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশাসনের কাজে আমাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।”
উল্লেখ্য, শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলভুক্ত পাঁচ জেলার নির্বাচনী দায়িত্বশীলদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে সাতকানিয়া আসনে জামায়াতের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে প্রশাসনকে আমাদের আন্ডারে আনতে হবে। পুলিশ, ওসি—সবারই আমাদের পেছনে থাকতে হবে।” তিনি আরও দাবি করেন, “নির্বাচন শুধু জনগণের উপর নির্ভর করে না; প্রশাসনকে আমাদের কথায় উঠতে–বসতে হবে।”
তিনি দলীয় প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “ওসি সাহেব সকালে আপনার প্রোগ্রাম জেনে নেবেন, প্রটোকল দেবেন।” আরও দাবি করেন, “আল্লাহ এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—জামায়াত ক্ষমতায় আসবে।”
আগামী নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, “৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হতে পারে। জনগণের কাছে যেতে হবে, কেঁদে ভোট চাইতে হবে। চোখে সাঈদী সাহেবের চেহারা ভাসাতে হবে।”
সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “এ সুযোগ আর আসবে না। শুধু মুখে সমর্থন দিয়ে হবে না, মাঠের কাজ করতে হবে। জনগণের পালস বুঝতে হবে। জিতলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন—এটাও মানুষ জানতে চায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী হবেন আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।”
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান, অধ্যাপক আহসান উল্লাহ, আনোয়ার আলম চৌধুরী, আলাউদ্দিন সিকদার, অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল মোমিনসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক | নিবার্তা:
জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল সম্মেলনে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরীর প্রশাসন–সংক্রান্ত মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রোববার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জামায়াত তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়।
দলের চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান বিবৃতিতে বলেন, “২২ নভেম্বর দেওয়া শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যটি আমরা দেখেছি। এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত মন্তব্য। এ বক্তব্য জামায়াত সমর্থন করে না। আমরা তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং অভ্যন্তরীণভাবেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা বিশ্বাস করি, প্রশাসন পেশাদারিত্বের সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশাসনের কাজে আমাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।”
উল্লেখ্য, শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলভুক্ত পাঁচ জেলার নির্বাচনী দায়িত্বশীলদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে সাতকানিয়া আসনে জামায়াতের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে প্রশাসনকে আমাদের আন্ডারে আনতে হবে। পুলিশ, ওসি—সবারই আমাদের পেছনে থাকতে হবে।” তিনি আরও দাবি করেন, “নির্বাচন শুধু জনগণের উপর নির্ভর করে না; প্রশাসনকে আমাদের কথায় উঠতে–বসতে হবে।”
তিনি দলীয় প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “ওসি সাহেব সকালে আপনার প্রোগ্রাম জেনে নেবেন, প্রটোকল দেবেন।” আরও দাবি করেন, “আল্লাহ এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—জামায়াত ক্ষমতায় আসবে।”
আগামী নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, “৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হতে পারে। জনগণের কাছে যেতে হবে, কেঁদে ভোট চাইতে হবে। চোখে সাঈদী সাহেবের চেহারা ভাসাতে হবে।”
সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “এ সুযোগ আর আসবে না। শুধু মুখে সমর্থন দিয়ে হবে না, মাঠের কাজ করতে হবে। জনগণের পালস বুঝতে হবে। জিতলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন—এটাও মানুষ জানতে চায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী হবেন আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।”
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান, অধ্যাপক আহসান উল্লাহ, আনোয়ার আলম চৌধুরী, আলাউদ্দিন সিকদার, অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল মোমিনসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন