বাংলাদেশ-ভারত মানেই অতিরিক্ত উত্তেজনা, অতিরিক্ত চাপ—কারণ ক্রিকেট মাঠে এই প্রতিপক্ষ শুধু প্রতিপক্ষ নয়, রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বাস্তবতা মিলেই তারা আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে হৃদয় জেতা এক লড়াইয়ে আজ ইতিহাস রচনা করলো বাংলাদেশ ‘এ’। সুপার ওভারে ভারতকে শূন্য রানে আটকে দিয়ে লাল-সবুজ তরুণরা উঠে গেল এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের ফাইনালে।
এটি শুধু একটি ম্যাচজয় নয়—এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় আত্মবিশ্বাসের শক্ত বার্তা, মনস্তাত্ত্বিক দেয়াল ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার স্লোগান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেও বাংলাদেশ ‘এ’ দল দেখিয়েছে পরিকল্পিত, ধৈর্যশীল ও আধুনিক টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং।
ভারতও লড়াই করেছে সমানতালে। শেষ ওভার পর্যন্ত টানটান উত্তেজনার লড়াইয়ে তারাও তুলে ১৯৪ রান।
কিন্তু এই দুই দলের লড়াইয়ে সবসময়ই থাকে ভিন্ন একটি রং—মনস্তাত্ত্বিক উত্তাপ। আর ঠিক সেই জায়গাটিতেই বাংলাদেশ নিজেদের ধরে রেখেছে অসাধারণ দৃঢ়তায়।
ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। আর সেখানেই জন্ম নেয় নতুন বীরত্ব।
সুপার ওভারে বল হাতে নেন তরুণ পেসার রিপন মন্ডল।
মাঠ তখন নিস্তব্ধ, দুই দেশের দর্শকের চোখে চাপের ছাপ।
প্রথম বল—ক্লিন বোল্ড!
দ্বিতীয় বল—আরেক উইকেট!
ভারতের ড্রেসিং রুম স্তব্ধ, গ্যালারি থমকে যাওয়া।
রিপন যেন বল হাতে লড়ছেন একটি দেশের প্রতি আস্থার প্রতিনিধিত্ব করে।
মাত্র দুই বলেই ভারত অলআউট—শূন্য রানে।
এমন দৃশ্য ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে বিরল নয়, বরং ঐতিহাসিক।
বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র একটি রান।
ঠাণ্ডা মাথায় সেই এক রান নিয়ে নেয় দল।
ডাগআউটে তখন তরুণদের উচ্ছ্বাস, কোচিং স্টাফের বিস্ময় আর বাংলাদেশের সমর্থকদের অশ্রুসজল আনন্দ।
এই জয় জানিয়ে দেয়—
রিপন মন্ডলের সুপার ওভারের বোলিং, সোহানের দৃঢ়তা, মেহেরবের বিস্ফোরণ—সব মিলিয়ে এই লড়াই প্রমাণ করল, বাংলাদেশের ক্রিকেট কেবলই এগিয়ে যাচ্ছে।

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২১ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ-ভারত মানেই অতিরিক্ত উত্তেজনা, অতিরিক্ত চাপ—কারণ ক্রিকেট মাঠে এই প্রতিপক্ষ শুধু প্রতিপক্ষ নয়, রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বাস্তবতা মিলেই তারা আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে হৃদয় জেতা এক লড়াইয়ে আজ ইতিহাস রচনা করলো বাংলাদেশ ‘এ’। সুপার ওভারে ভারতকে শূন্য রানে আটকে দিয়ে লাল-সবুজ তরুণরা উঠে গেল এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের ফাইনালে।
এটি শুধু একটি ম্যাচজয় নয়—এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় আত্মবিশ্বাসের শক্ত বার্তা, মনস্তাত্ত্বিক দেয়াল ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার স্লোগান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেও বাংলাদেশ ‘এ’ দল দেখিয়েছে পরিকল্পিত, ধৈর্যশীল ও আধুনিক টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং।
ভারতও লড়াই করেছে সমানতালে। শেষ ওভার পর্যন্ত টানটান উত্তেজনার লড়াইয়ে তারাও তুলে ১৯৪ রান।
কিন্তু এই দুই দলের লড়াইয়ে সবসময়ই থাকে ভিন্ন একটি রং—মনস্তাত্ত্বিক উত্তাপ। আর ঠিক সেই জায়গাটিতেই বাংলাদেশ নিজেদের ধরে রেখেছে অসাধারণ দৃঢ়তায়।
ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। আর সেখানেই জন্ম নেয় নতুন বীরত্ব।
সুপার ওভারে বল হাতে নেন তরুণ পেসার রিপন মন্ডল।
মাঠ তখন নিস্তব্ধ, দুই দেশের দর্শকের চোখে চাপের ছাপ।
প্রথম বল—ক্লিন বোল্ড!
দ্বিতীয় বল—আরেক উইকেট!
ভারতের ড্রেসিং রুম স্তব্ধ, গ্যালারি থমকে যাওয়া।
রিপন যেন বল হাতে লড়ছেন একটি দেশের প্রতি আস্থার প্রতিনিধিত্ব করে।
মাত্র দুই বলেই ভারত অলআউট—শূন্য রানে।
এমন দৃশ্য ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে বিরল নয়, বরং ঐতিহাসিক।
বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র একটি রান।
ঠাণ্ডা মাথায় সেই এক রান নিয়ে নেয় দল।
ডাগআউটে তখন তরুণদের উচ্ছ্বাস, কোচিং স্টাফের বিস্ময় আর বাংলাদেশের সমর্থকদের অশ্রুসজল আনন্দ।
এই জয় জানিয়ে দেয়—
রিপন মন্ডলের সুপার ওভারের বোলিং, সোহানের দৃঢ়তা, মেহেরবের বিস্ফোরণ—সব মিলিয়ে এই লড়াই প্রমাণ করল, বাংলাদেশের ক্রিকেট কেবলই এগিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন