রায় ঘোষণার ঘণ্টাখানেক পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়,
“বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়ের বিষয়ে ভারত অবগত। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান রেখে এসেছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে ভারত সকল অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলক যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।”
রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে ভারতের প্রতি আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়—
“মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার সমতুল্য।”
মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে,
“বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কার্যকর প্রত্যর্পণ চুক্তি বিদ্যমান। সেই চুক্তি অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা ভারতের জন্য অবশ্যপালনীয় দায়িত্বও বটে।”
রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কের পরবর্তী কূটনৈতিক ধাপ এখন নজর কাড়ছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ভারতের প্রতিক্রিয়া সংযত হলেও বাংলাদেশের আহ্বান সরাসরি ও স্পষ্ট। দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যর্পণে ভারতের পরবর্তী সিদ্ধান্তই দুই দেশের আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫
রায় ঘোষণার ঘণ্টাখানেক পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়,
“বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়ের বিষয়ে ভারত অবগত। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান রেখে এসেছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে ভারত সকল অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলক যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।”
রায় ঘোষণার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে ভারতের প্রতি আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়—
“মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার সমতুল্য।”
মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে,
“বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কার্যকর প্রত্যর্পণ চুক্তি বিদ্যমান। সেই চুক্তি অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা ভারতের জন্য অবশ্যপালনীয় দায়িত্বও বটে।”
রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কের পরবর্তী কূটনৈতিক ধাপ এখন নজর কাড়ছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ভারতের প্রতিক্রিয়া সংযত হলেও বাংলাদেশের আহ্বান সরাসরি ও স্পষ্ট। দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যর্পণে ভারতের পরবর্তী সিদ্ধান্তই দুই দেশের আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আপনার মতামত লিখুন