সাভার প্রতিনিধি, ঢাকা:
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার আগের দিনকে কেন্দ্র করে সাভারে শক্তিশালী গণমিছিল করেছে বিএনপি। আজ ১৬ নভেম্বর (রবিবার) সন্ধ্যা ৭টায় আয়োজিত এ গণমিছিলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক লায়ন খোরশেদ আলম।
মিছিলটি সাভারের ছায়াবিথী এলাকা থেকে শুরু হয়ে পাকিজা ইউ-টার্ন হয়ে সাভার সিটি সেন্টারের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, আগামীকাল রায় সামনে রেখে কোনো গোষ্ঠী যেন সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বা নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য বিএনপি মাঠে রয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনীত হত্যা মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
গণমিছিল শেষে লায়ন খোরশেদ আলম বলেন,
“সাভারের মাটি থেকে আমরা স্পষ্ট বার্তা দিলাম—আগামীকালের রায়কে কেন্দ্র করে কেউ শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চাইলে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমরা চাই ট্রাইব্যুনাল জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের জন্য শেখ হাসিনাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিক।”
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ আগামী ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে। এ রায়কে কেন্দ্র করে সারাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫
সাভার প্রতিনিধি, ঢাকা:
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার আগের দিনকে কেন্দ্র করে সাভারে শক্তিশালী গণমিছিল করেছে বিএনপি। আজ ১৬ নভেম্বর (রবিবার) সন্ধ্যা ৭টায় আয়োজিত এ গণমিছিলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক লায়ন খোরশেদ আলম।
মিছিলটি সাভারের ছায়াবিথী এলাকা থেকে শুরু হয়ে পাকিজা ইউ-টার্ন হয়ে সাভার সিটি সেন্টারের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, আগামীকাল রায় সামনে রেখে কোনো গোষ্ঠী যেন সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বা নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য বিএনপি মাঠে রয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনীত হত্যা মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
গণমিছিল শেষে লায়ন খোরশেদ আলম বলেন,
“সাভারের মাটি থেকে আমরা স্পষ্ট বার্তা দিলাম—আগামীকালের রায়কে কেন্দ্র করে কেউ শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চাইলে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমরা চাই ট্রাইব্যুনাল জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের জন্য শেখ হাসিনাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিক।”
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ আগামী ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে। এ রায়কে কেন্দ্র করে সারাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন