যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য Alabama-তে একাধিক বন্দীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগের মাধ্যমে, যা আন্তর্জাতিকভাবে এক নতুন ও বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে ধরা হচ্ছে।
গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৪-এ এ অঙ্গরাজ্যে প্রথমবার এক দণ্ডপ্রাপ্তকে নাইট্রোজেন গ্যাস (আসপিক্সিয়ায়) পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় — তাকে গ্যাসের মুখোশ পরিয়ে বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন প্রবাহিত করা হয়, যার ফলে অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়।
এরপরও ২০২৪-২০২৫ সালে ওই অঙ্গরাজ্যে এই পদ্ধতি আরও কয়েকবার প্রয়োগ করা হয়েছে।
ঐতিহ্যবাহী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর পদ্ধতিতে (যেমন প্রাণঘাতী ইনজেকশন) বিভিন্ন রাজ্যে ওষুধের সরবরাহ সংকট ও আইনগত জটিলতার কারণে বাধার মুখে পড়েছে। তাই এই পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে নাইট্রোজেন-ভিত্তিক পদ্ধতি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় এসেছে।
তবে মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এই পদ্ধতির নিরাপত্তা ও মানবিক দিক নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা বলছে, নাইট্রোজেন গ্যাসে মৃত্যুর সময় “শ্বাসরুদ্ধতা, আতঙ্ক, মাঝেমধ্যে বড় সময় ধরে আরো যন্ত্রণার সম্ভাবনা” রয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, প্রথম প্রয়োগের সময় সাক্ষীদের বর্ণনায় দেখা গেছে, বন্দী গরমায় কঠিনভাবে আন্দোলন করছিলেন, কিছুক্ষণ পর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।
● এই ধরনের নতুন পদ্ধতি কতটা পরীক্ষিত তা স্পষ্ট নয়।
● বন্দীর মানসিক ও শারীরিক অবস্থা, নির্বাহী প্রোটোকল-উন্মুক্ততা এবং পর্যবেক্ষণ-সাক্ষীর স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
● এছাড়া, বিচারিক সুরক্ষা ও “নির্মম ও অস্বাভাবিক শাস্তি” (Eighth Amendment) প্রেক্ষিতে যুক্তি উঠেছে যে, এই পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির পরিপন্থী হতে পারে।
বর্তমানে এই পদ্ধতির প্রয়োগ এবং তার পরবর্তী আইনগত চ্যালেঞ্জগুলি বিশ্বজুড়ে নজর কাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ড-নীতির পুনর্মূল্যায়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন

সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য Alabama-তে একাধিক বন্দীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগের মাধ্যমে, যা আন্তর্জাতিকভাবে এক নতুন ও বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে ধরা হচ্ছে।
গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৪-এ এ অঙ্গরাজ্যে প্রথমবার এক দণ্ডপ্রাপ্তকে নাইট্রোজেন গ্যাস (আসপিক্সিয়ায়) পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় — তাকে গ্যাসের মুখোশ পরিয়ে বিশুদ্ধ নাইট্রোজেন প্রবাহিত করা হয়, যার ফলে অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়।
এরপরও ২০২৪-২০২৫ সালে ওই অঙ্গরাজ্যে এই পদ্ধতি আরও কয়েকবার প্রয়োগ করা হয়েছে।
ঐতিহ্যবাহী মৃত্যুদণ্ড কার্যকর পদ্ধতিতে (যেমন প্রাণঘাতী ইনজেকশন) বিভিন্ন রাজ্যে ওষুধের সরবরাহ সংকট ও আইনগত জটিলতার কারণে বাধার মুখে পড়েছে। তাই এই পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে নাইট্রোজেন-ভিত্তিক পদ্ধতি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় এসেছে।
তবে মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এই পদ্ধতির নিরাপত্তা ও মানবিক দিক নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা বলছে, নাইট্রোজেন গ্যাসে মৃত্যুর সময় “শ্বাসরুদ্ধতা, আতঙ্ক, মাঝেমধ্যে বড় সময় ধরে আরো যন্ত্রণার সম্ভাবনা” রয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, প্রথম প্রয়োগের সময় সাক্ষীদের বর্ণনায় দেখা গেছে, বন্দী গরমায় কঠিনভাবে আন্দোলন করছিলেন, কিছুক্ষণ পর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।
● এই ধরনের নতুন পদ্ধতি কতটা পরীক্ষিত তা স্পষ্ট নয়।
● বন্দীর মানসিক ও শারীরিক অবস্থা, নির্বাহী প্রোটোকল-উন্মুক্ততা এবং পর্যবেক্ষণ-সাক্ষীর স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
● এছাড়া, বিচারিক সুরক্ষা ও “নির্মম ও অস্বাভাবিক শাস্তি” (Eighth Amendment) প্রেক্ষিতে যুক্তি উঠেছে যে, এই পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির পরিপন্থী হতে পারে।
বর্তমানে এই পদ্ধতির প্রয়োগ এবং তার পরবর্তী আইনগত চ্যালেঞ্জগুলি বিশ্বজুড়ে নজর কাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মৃত্যুদণ্ড-নীতির পুনর্মূল্যায়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন

আপনার মতামত লিখুন